তরিকুল ইসলাম জেন্টু ,আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
গত কয়েকদিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও ঘন কুয়াশায় পশ্চিম বগুড়ার আদমদীঘি ও সান্তাহারসহ এর আশপাশ এলাকায় জেকে বসেছে শীত। হারকাপানো তীব্রশীতে ট্রেন ও বাসের সিডিউল বিপর্যস্ত হয়ে পরেছে বলে জানাগেছে। এতে দেখা দিয়েছে জনদুর্ভোগ। গত কয়েক দিনে হাড়কাপানো শীতে শিশু,নারী,পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সের শত শত মানুষ শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এসব আক্রান্ত রোগীরা স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিক ও চিকিৎসালয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানাগাছে। হটৎ করে ঘন কুয়াশা এবং গত কয়েকদিনের দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এসব এলাকায় জেকে বসেছে শীত। হাড় কাপানো শীতের কারণে দিনদিন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। তীব্র শীতের সাথে ঘন কুয়াশার কারনে গতি কমেছে ট্রেন বাসসহ যাত্রী পরিবহনের।

ফলে ট্রেনের সিডিউল বিপর্য়রে কারনে দিনাজপুর থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর একতা, দ্রুতযান, নীলফামারী থেকে নীলসাগর, লালমনির হাট থেকে লালমনি এক্সপ্রেস, রংপুর থেকে রংপুর এক্সপ্রেসসহ উত্তরাঞ্চলের সাথে দক্ষিণঞ্চলের চলাচলকারী ট্রেনগুলো ৪/৫ ঘন্টা বিলম্বে চলাচল করছে। সান্তাহার জংশন স্টেশনের স্টেশন মাস্টার রেজাউল করিম ডালিমের সাথে গতকাল বৃহসপ্রতিবার সকাল ১০টায় ট্রেন সিডিউল বিপর্যস্ত হয়ে পরার কারন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কয়েকদিনের ঘন কুয়াশায় ট্রেন সময়মত পৌছাচ্ছেনা । তবে বর্তমানে খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী রুপসা ও সিমান্ত ট্রেনের সিডিউল বিপর্যয়ের সমস্যা বেশি রয়েছে। তবে আশা করা হচ্ছে সেটিও খুব তারাতারী সমাধান হবে।

এছাড়া ঢাকাগামী বাসগুলো ১০ থেকে ১২ ঘন্টা বিলম্বে চলাচল করছে বলে জানাগাছে। ফলে যাত্রী এবং সর্বসাধারন ও শ্রমজীবি মানুষেরা পরেছে দুর্ভোগে। এমন হারকাপানো তীব্রশীতে চাকুরীজীবি ও প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বাসাবাড়ী থেকে বাহিরে বের হচ্ছেনা অনেকেই। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে শহরের দোকান পাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শহরগুলো হয়ে পরছে জনশূন্য প্রায়। শীত বস্ত্রের অভাবে শীতে কাহিল হয়ে পরেছে হতদরিদ্র পরিবার ও রেল ষ্টেশনে আশ্রয় নেওয়া ছিন্নমূল মানুষরা। খড় জ্বালিয়ে আগুনের তাপ নিচ্ছেন শিশু, কিশোরসহ সববয়সের মানুষ। এছাড়ও কৃষি কাজে নেমে এসেছে স্থবিরতা। অসময়ে ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে শীতকালীন সবজি ও ইরিবোরো ধানের বীজতলার ক্ষতির আশংকা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে আলু সরিষার ক্ষেত নিয়ে কৃষকরা বেশী চিন্তিত। একটানা এরকম আবহাওয়া থাকলে আলু সরিষার ফলন বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।

(Visited 1 times, 1 visits today)

সম্পাদক ও প্রকাশক

কাজী জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

ই-মেইল: jahangirbhaluka@gmail.com
নিউজ: bsomoy71@gmail.com

মোবাইল: ০১৭১৬৯০৭৯৮৪

%d bloggers like this: