তারিখ

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২০ ইং, সকাল ৬:০৯, ২৬শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলক্বদ, ১৪৪১ হিজরী

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ–প্রাণঘাতী করোনা পরিস্থিতিতে কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপারের নির্দেশনার পাশাপাশি দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম ও তার  সদস্যরা।করোনার সংক্রমণ রোধে পুলিশ সদস্যরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য কার্যকর পদক্ষেপ নিশ্চিত করার জন্য মাঠ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে করণীয় সম্পর্কে জনগণকে ক্রমাগত মনস্থাত্মিক পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের কাছে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ  পৌঁছে দেয়া, সবসময় মুখে মাস্ক ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে হাতে গ্লোলভস ব্যবহার, স্বাস্থ্য বিধি মেনে রাস্তায় চলাচল, গণপরিবহন চলাচল তদারকি, সচেতনতামূলক মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ তাদের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।করোনা ভাইরাসের কারণে থেমে গেছে মানুষের জীবন-জীবিকা। রিকশাচালক থেকে শুরু করে নিম্নআয়ের মানুষ অসহায় দিন কাটাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতে থানায় ওসির কাছে ছুটে আসলে তাদের দুর্দিন এর কথা শুনে ওসি আমিনুল ইসলাম খাবারের জন্য নিজস্ব উদ্যোগে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছেন তাদের পরিবারের জন্য।
ওসি আমিনুল ইসলাম প্রতি মাসের বেতনের এক তৃতীয়াংশ চিলমারীর অসহায় দরিদ্র মানুষের পিছনে ব্যয় করে আসছেন এবং তিনি যতদিন থানায় দায়িত্বে আছেন এটি অব্যাহত রাখবেন বলে জানান।

কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম’র কড়া নির্দেশ প্রতিটি থানা দালাল মুক্ত বা কোন প্রকার অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকা। তারই ধারাবাহিকতায় চিলমারী মডেল থানায় সেবা গ্রহন করতে আসলে বা কোন অভিযোগ দিতে আসলে কোন প্রকার উৎকোচ গ্রহণ তো করেই না বরং অফিসার ইনচার্জ খুশি হয়ে তাদেরকে সু-পরামর্শ প্রদান করেন এবং থানায় দিন মজুর বা শ্রমিকরা অভিযোগ করতে আসলে তাদের সেই দিনের পারিশ্রমিক হিসেবে তাদেরকে সাধ্যমত অর্থ দেন।পুলিশ নিয়ে অনেকের বিরূপ ধারণা থাকলেও বর্তমান কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার ও চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সে ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন। অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম একজন ব্যতিক্রমধর্মী মিষ্টভাষী পুলিশ অফিসার। প্রতিনিয়ত তিনি সহকর্মী ও সাধারণ জনগণের আদর্শগত ভিন্নতা মেনে নিয়ে পরস্পরের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন জনগন ও দেশের কল্যাণে।
“পুলিশ জনগণের বন্ধু” তিনি এই বাক্যটির উৎকৃষ্ট নিদর্শন। তিনি অন্যতম একজন আদর্শ পুলিশ অফিসার যিনি তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আধুনিকতা, প্রযুক্তি ও সততা এবং মেধার দক্ষতা দিয়ে অপরাধ দমন করার চেষ্টা করেন দেশের কল্যাণে। “পুলিশ জনতার, জনতা পুলিশের” এই শ্লোগানকে বাস্তব রূপ দিয়েছেন এই পুলিশ অফিসার। তিনি তাঁর সততা, ন্যায় নিষ্ঠা, বিচক্ষণতা, বুদ্ধিমত্তা এবং মেধা বিকাশে তার দায়িত্বরত এলাকা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখল বাজদের হাত থেকে মুক্ত করছেন। তার চোখে ধনী-গরিব, রিক্সাচালক হতে সব শ্রেণিপেশার মানুষ সমান। তিনি বিভিন্ন সময়  বিভিন্ন বেশে মানুষের মাঝে উপস্থিত হয়ে মানুষের সুখ দুঃখের কথা শুনেন এবং সু-পরামর্শ দেন। একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ও অবদান রেখে চলেছেন।অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার গণমানুষের বন্ধু, সরকার আমাদের পাঠিয়েছেন মানুষের মুখে হাসি ফোঁটাতে, তাদেরকে হেফাজত করতে, মানুষের সাথে মিলেমিশে তাদের সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে। আমরা মানুষের অতন্ত্র প্রহরী আমাদের কাজ হচ্ছে দেশকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, চাদাঁবাজ, ইভটিজার মুক্ত করে মানুষের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে আনা। একজন নির্যাতিত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হলো পুলিশ। আর আমরা যদি তাদের আশ্রয় এবং তাদের সমস্যা নিরসন না করি তাহলে কে করবে। পুলিশ অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে রাত জেগে থাকে শুধু জনগণ শান্তিতে ঘুমাবে বলে, ঈদের ছুটিতেও জনগণ যাতে তাদের এই ঈদকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল এবং শান্তিতে কাটাতে পারে সে জন্য অনেক পুলিশ অফিসার প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে, আমি একটি কথা বলবো জনগণের উদ্দেশ্যে-আপনারা পুলিশ কে নিজের বন্ধু ভাবুন, পুলিশ জনগণের বন্ধু। পুলিশ জনগণের শুধু বন্ধুই নয়, সেবকও বটে। পুলিশ সব সময়ই জনগণের বন্ধু হিসেবে জনগণের পাশে ছিল এবং আগামীতেও থাকবে। জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের পক্ষে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সেবা দেয়া সম্ভব নয়।

ওসি আরো বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের কর্নধার মাননীয় আইজিপি মহোদ্বয়সহ কুড়িগ্রাম জেলা  পুলিশের কর্ণধার মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম স্যার দ্বয়ের সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা, মানবিকতার আদর্শে অনুপ্রাণিত আমি। তাদের আদর্শের  অনুপ্রেরণা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি ।

জনসাধারণকে সেবা প্রদান করে উপজেলার মানুষের কাছে শতভাগ আস্থা অর্জন করেছেন চিলমারী মডেল থানা পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ। করোনায় আক্রান্তদের হোম আইসোলেশন, লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা, নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়দের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রিতে সহায়তা করেছে চিলমারী উপজেলার পুলিশ বাহিনী।
পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম এর  নির্দেশে চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম প্রতিনিয়ত পুলিশের টিম নিয়ে ছুটছেন উপজেলার এক প্রান্ত  থেকে অপর প্রান্তে। থানা পুলিশ সব দায়িত্বে উর্ধ্বে উঠে এমন মানবিক কর্মকান্ড  পরিচালনার পাশাপাশি উপজেলার আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। এতে উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। করোনায় মানুষের সেবা প্রদান করতে গিয়ে ইতিমধ্যে জেলা পুলিশসহ বিভিন্ন জেলার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। অনেকে মারাও গেছেন।
কিন্তু তাতেও চিলমারী মডেল থানা পুলিশ থেমে নেই, জীবনের শেষ বিন্দু সময় পর্যন্ত দেশ ও জাতির সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দেবে বলে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ

প্রাণঘাতী করোনা পরিস্থিতিতে কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপারের নির্দেশনার পাশাপাশি দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম ও তার  সদস্যরা।

করোনার সংক্রমণ রোধে পুলিশ সদস্যরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য কার্যকর পদক্ষেপ নিশ্চিত করার জন্য মাঠ পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। প্রাণঘাতী করোনার সংক্রমণ থেকে মুক্তি পেতে করণীয় সম্পর্কে জনগণকে ক্রমাগত মনস্থাত্মিক পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের কাছে খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ  পৌঁছে দেয়া, সবসময় মুখে মাস্ক ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে হাতে গ্লোলভস ব্যবহার, স্বাস্থ্য বিধি মেনে রাস্তায় চলাচল, গণপরিবহন চলাচল তদারকি, সচেতনতামূলক মাইকিং, লিফলেট বিতরণসহ তাদের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন।

করোনা ভাইরাসের কারণে থেমে গেছে মানুষের জীবন-জীবিকা। রিকশাচালক থেকে শুরু করে নিম্নআয়ের মানুষ অসহায় দিন কাটাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতে থানায় ওসির কাছে ছুটে আসলে তাদের দুর্দিন এর কথা শুনে ওসি আমিনুল ইসলাম খাবারের জন্য নিজস্ব উদ্যোগে নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী দিচ্ছেন তাদের পরিবারের জন্য।
ওসি আমিনুল ইসলাম প্রতি মাসের বেতনের এক তৃতীয়াংশ চিলমারীর অসহায় দরিদ্র মানুষের পিছনে ব্যয় করে আসছেন এবং তিনি যতদিন থানায় দায়িত্বে আছেন এটি অব্যাহত রাখবেন বলে জানান।

কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম’র কড়া নির্দেশ প্রতিটি থানা দালাল মুক্ত বা কোন প্রকার অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকা। তারই ধারাবাহিকতায় চিলমারী মডেল থানায় সেবা গ্রহন করতে আসলে বা কোন অভিযোগ দিতে আসলে কোন প্রকার উৎকোচ গ্রহণ তো করেই না বরং অফিসার ইনচার্জ খুশি হয়ে তাদেরকে সু-পরামর্শ প্রদান করেন এবং থানায় দিন মজুর বা শ্রমিকরা অভিযোগ করতে আসলে তাদের সেই দিনের পারিশ্রমিক হিসেবে তাদেরকে সাধ্যমত অর্থ দেন।

পুলিশ নিয়ে অনেকের বিরূপ ধারণা থাকলেও বর্তমান কুড়িগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার ও চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সে ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছেন। অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম একজন ব্যতিক্রমধর্মী মিষ্টভাষী পুলিশ অফিসার। প্রতিনিয়ত তিনি সহকর্মী ও সাধারণ জনগণের আদর্শগত ভিন্নতা মেনে নিয়ে পরস্পরের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন জনগন ও দেশের কল্যাণে।
“পুলিশ জনগণের বন্ধু” তিনি এই বাক্যটির উৎকৃষ্ট নিদর্শন। তিনি অন্যতম একজন আদর্শ পুলিশ অফিসার যিনি তার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আধুনিকতা, প্রযুক্তি ও সততা এবং মেধার দক্ষতা দিয়ে অপরাধ দমন করার চেষ্টা করেন দেশের কল্যাণে। “পুলিশ জনতার, জনতা পুলিশের” এই শ্লোগানকে বাস্তব রূপ দিয়েছেন এই পুলিশ অফিসার। তিনি তাঁর সততা, ন্যায় নিষ্ঠা, বিচক্ষণতা, বুদ্ধিমত্তা এবং মেধা বিকাশে তার দায়িত্বরত এলাকা মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও দখল বাজদের হাত থেকে মুক্ত করছেন। তার চোখে ধনী-গরিব, রিক্সাচালক হতে সব শ্রেণিপেশার মানুষ সমান। তিনি বিভিন্ন সময়  বিভিন্ন বেশে মানুষের মাঝে উপস্থিত হয়ে মানুষের সুখ দুঃখের কথা শুনেন এবং সু-পরামর্শ দেন। একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ ও অবদান রেখে চলেছেন।

অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার গণমানুষের বন্ধু, সরকার আমাদের পাঠিয়েছেন মানুষের মুখে হাসি ফোঁটাতে, তাদেরকে হেফাজত করতে, মানুষের সাথে মিলেমিশে তাদের সুখ দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে। আমরা মানুষের অতন্ত্র প্রহরী আমাদের কাজ হচ্ছে দেশকে মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, চাদাঁবাজ, ইভটিজার মুক্ত করে মানুষের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে আনা। একজন নির্যাতিত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হলো পুলিশ। আর আমরা যদি তাদের আশ্রয় এবং তাদের সমস্যা নিরসন না করি তাহলে কে করবে। পুলিশ অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে রাত জেগে থাকে শুধু জনগণ শান্তিতে ঘুমাবে বলে, ঈদের ছুটিতেও জনগণ যাতে তাদের এই ঈদকে সুন্দর, সুশৃঙ্খল এবং শান্তিতে কাটাতে পারে সে জন্য অনেক পুলিশ অফিসার প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে, আমি একটি কথা বলবো জনগণের উদ্দেশ্যে-আপনারা পুলিশ কে নিজের বন্ধু ভাবুন, পুলিশ জনগণের বন্ধু। পুলিশ জনগণের শুধু বন্ধুই নয়, সেবকও বটে। পুলিশ সব সময়ই জনগণের বন্ধু হিসেবে জনগণের পাশে ছিল এবং আগামীতেও থাকবে। জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের পক্ষে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সেবা দেয়া সম্ভব নয়।

ওসি আরো বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের কর্নধার মাননীয় আইজিপি মহোদ্বয়সহ কুড়িগ্রাম জেলা  পুলিশের কর্ণধার মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম স্যার দ্বয়ের সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা, মানবিকতার আদর্শে অনুপ্রাণিত আমি। তাদের আদর্শের  অনুপ্রেরণা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি ।

জনসাধারণকে সেবা প্রদান করে উপজেলার মানুষের কাছে শতভাগ আস্থা অর্জন করেছেন চিলমারী মডেল থানা পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যগণ। করোনায় আক্রান্তদের হোম আইসোলেশন, লকডাউন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা, নিজস্ব অর্থায়নে অসহায়দের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রিতে সহায়তা করেছে চিলমারী উপজেলার পুলিশ বাহিনী।
পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম এর  নির্দেশে চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম প্রতিনিয়ত পুলিশের টিম নিয়ে ছুটছেন উপজেলার এক প্রান্ত  থেকে অপর প্রান্তে। থানা পুলিশ সব দায়িত্বে উর্ধ্বে উঠে এমন মানবিক কর্মকান্ড  পরিচালনার পাশাপাশি উপজেলার আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন। এতে উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। করোনায় মানুষের সেবা প্রদান করতে গিয়ে ইতিমধ্যে জেলা পুলিশসহ বিভিন্ন জেলার পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। অনেকে মারাও গেছেন।
কিন্তু তাতেও চিলমারী মডেল থানা পুলিশ থেমে নেই, জীবনের শেষ বিন্দু সময় পর্যন্ত দেশ ও জাতির সেবায় নিজেদের বিলিয়ে দেবে বলে তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

(Visited 1 times, 1 visits today)

বার্তা সম্পাদক

আশিকুর রহমান শ্রাবণ

সম্পাদক ও প্রকাশক

কাজী জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

ই-মেইল: jahangirbhaluka@gmail.com
নিউজ: bsomoy71@gmail.com

মোবাইল: ০১৭১৬৯০৭৯৮৪

%d bloggers like this: