তারিখ

রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং, দুপুর ১:২৯, ১২ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১০ই সফর, ১৪৪২ হিজরী

 

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
শিক্ষায় জাতির মেরুদন্ড। সেই শিক্ষার মানবৃদ্ধি করতে গ্রামবাসী উদ্যোগ ও সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় পাল্টে গেল কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ধর্মপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র।ওই স্কুলে বৃহস্পতিবার (২০ ফ্রেব্রুয়ারী) সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের প্রতিটি কক্ষে চলছে শিশু শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পড়াশুনার আওয়াজ। পরে প্রথম শিপটে স্কুলের প্রতিটি ক্লাস কক্ষে গিয়ে শিশু শ্রেণি থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির সকল শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ও শিক্ষকদের উপস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে শিক্ষার্থীরা বলেন, স্যার’রা, নিয়মিত স্কুলে আসেন ক্লাসে মনযোগ সহকারে পড়ালেখা শেখান। তাদের এমন পড়াশুনার সুন্দর পরিবেশে মুগ্ধ হন অভিভাবকরা। এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক শিউলি পারভীন বলেন, আমাগর স্কুল নিয়ে সংবাদিকরা নেখানেখি করায় এখন লেখাপড়া ভালা হইছে।
গ্রামবাসীও জানান, বর্তমানে শিক্ষকদের উপস্থিতি ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়াসহ সকল কার্যক্রম সঠিকভাবে চলছে। এ ধারাবাহিকতা ধরে রাখলে ভবিষতে এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা ভালো ফলাফল অর্জন করতে পারবে। প্রথমে শিক্ষার্থীদের অভিভাবককে সচেতন হওয়া দরকার, সন্তানরা সঠিকভাবে স্কুলে ও বাড়িতে লেখাপড়া করছে কি না। ওই স্কুলের সহকারি শিক্ষক ফৈরদোসি বলেন, আমাদের স্কুলে সঠিক সময়ে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির মাধ্যমে ভালভাবে পড়াশুনা চলছে। তবে এই প্রতিষ্ঠানে বেশীর ভাগ শিক্ষক প্রতিষ্ঠান থেকে ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার দূর থেকে স্কুলে উপস্থিত হয়ে পাঠ দানে সহায়তা করে থাকে। মাঝে মধ্যে ৫ থেকে ১০ মিনিট বিলম্বের কারণ হচ্ছে, রাস্তায় জানজট, যানবাহন সংকট, গ্রামীণ রাস্তা গুলোর নাজুক অবস্থা। অনেক সময়ে পায়ে হেঁটে স্কুলে যেতে হয়। তবে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় কোন ত্রুটি না করে ভালভাবে পাঠদান করানো হয়।এ প্রসঙ্গে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা সঠিক সময়ে প্রতিষ্ঠানে এসে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়াসহ পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান ও ভালো ফলাফল অর্জনের জন্য কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছি।এ প্রসঙ্গে ওই স্কুলের সভাপতি আব্দুর রশিদ বলেন, স্কুলের গ্রামবাসীর তালা লাগানোর বিষয়টি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় এখন স্কুলের আমুল চিত্র বদলে গেছে। শিক্ষক শিক্ষার্থিদের সঠিক সময়ে উপস্থিতির ফলে স্কুলে পড়ালেখায় নুতন করে উৎসব মুখর পরিবেশে পাঠদান চলছে। এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে স্কুলে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে। উল্লেখ্য, গত ১১ ফ্রেব্রুয়ারী দৈনিক শিক্ষায় ‘সময়মতো স্কুলে আসেননি শিক্ষক, বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর তালা’ ও ১২ ফেব্রুয়ারি বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত (রৌমারীতে সরকারি স্কুলে গ্রামবাসীর তালা) শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর এ নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠে সর্বত্রই।

(Visited 1 times, 1 visits today)

বার্তা সম্পাদক

আশিকুর রহমান শ্রাবণ

সম্পাদক ও প্রকাশক

কাজী জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

ই-মেইল: jahangirbhaluka@gmail.com
নিউজ: bsomoy71@gmail.com

মোবাইল: ০১৭১৬৯০৭৯৮৪

%d bloggers like this: