মাজহারুল ইসলাম,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃকুড়িগ্রাম জেলার, রৌমারী ৬টি ইউনিয়নে বরাদ্ধ পেয়েছেন ৪৯৯ মেট্রিক টন, কৃষকের সংখ্যা তালিকা করা হয়েছে ১২ হাজার ৫৫৫ জন। ১২৫৫৫ জনের মধ্যে, রৌমারীতে ৭৬০ জন কৃষক এই সুবিধা পাবেন।, রাজিবপুর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নে বরাদ্ধ পেয়েছে ২৯০ মেট্রিক টন সেখানে সুবিধা পাচ্ছেন মাত্র ৩৮০ জন কৃষক। দুই উপজেলার সর্বমোট ৯টি ইউনিয়নে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ করবে ১ হাজার ১৪০ জন কৃষকের কাছ থেকে।রৌমারী উপজেলা হলরুমে ধান সংগ্রহের কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন ২৮ কুড়িগ্রাম ৪ আসনের সংসদ সদস্য জাকির হোসেন প্রাথমিক গন শিক্ষামন্ত্রী।২৬ টাকা কেজি হিসাবে ১ হাজার ৪০ টাকা মণ দরে দুই উপজেলায় ১১৪০ জন তালিকাভুক্ত কৃষকের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ৫ মণ থেকে এক টন পর্যন্ত ধান সংগ্রহ করা হবে বলে জানা গেছে। কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারীতে ৪৯৯ মেট্রিক টন, রাজিবপুর উপজেলায় ২৯০ মেট্রিক টন আমন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে।এর মধ্যেই রৌমারী – রাজিবপুর উপজেলায় ধান সংগ্রহ করা হবে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এই মৌশুমের গত নভেম্বর মাস থেকে এ কার্যক্রম শুরু হলেও রৌমারীতে এখন গড়িমসি রয়েছে, তবে ফেব্রয়ারি মাসের ২৯ তারিখ পর্যন্ত এর কার্যক্রম চলবে বলে জানা গেছে।ধান সংগ্রহের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল ইমরান এর সভাপতিত্বে কৃষকদের নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল্লাহ, ভাইস চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আক্তার সৃতি, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা, ইশকে আব্দুল্লাহ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মিনু,৬টি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান,উপজেলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মাজহারুল ইসলামসহ আরও অনেকেই ধান সংগ্রহের আলোচনা সভায় উপস্তিতি ছিলো।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্তিত প্রাথমিক গন শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের দায়ীত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রী জাকির হোসেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ এখন শুধু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশই নয় বরং উদ্বৃত্ত খাদ্য শস্যের দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ধান আমাদের প্রধান ফসল। বাম্পার উৎপাদনে ধানের মূল্য কম হওয়ায় সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কৃষকদের যথাযথ মূল্য নিশ্চিতে সম্ভাব্য সব প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সরাসরি ধান ক্রয় চলছে কৃষকদের কাছ থেকে।আমন ধান সংগ্রহ ২০১৯-২০ মৌসুমে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত সব প্রান্তিক সাধারণ কৃষকের কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে ধান কেনা হবে বলে জানান তিনি। সরকারের এই মহতি উদ্যেগের সঙ্গে সবাইকে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

(Visited 1 times, 1 visits today)

সম্পাদক ও প্রকাশক

কাজী জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

ই-মেইল: jahangirbhaluka@gmail.com
নিউজ: bsomoy71@gmail.com

মোবাইল: ০১৭১৬৯০৭৯৮৪

%d bloggers like this: