তারিখ

বুধবার, ২৭শে মে, ২০২০ ইং, সকাল ৬:০১, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪১ হিজরী

উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিনিধিঃ-পাকিস্তান- এর পর এবার “মুঘলিস্তান”, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি শুরু হয়ে গেছে। ১৯৪০ সাল। ভারতীয় উপমহাদেশ তথা বর্তমানের বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও ভারত মিলিয়ে তখন মুসলিম জনসংখ্যা ২৩%। ১৯৪০ সালেরই ২৬ মার্চ, লাহোর প্রস্তাবে মুসলমানরা দাবী করে বসলো, হিন্দু ও মুসলমান দুটো আলাদা জাতি, তাই ধর্ম-সংস্কৃতি রক্ষা করে হিন্দুদের সাথে একই দেশে, এক সমাজে বাস করা মুসলমানদের পক্ষে সম্ভব নয়; মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা নিয়ে তাদেরকে একটি আলাদা দেশ দিতে হবে, যার নাম হবে পাকিস্তান। অনেকেই বললো, এটা অবাস্তব ব্যাপার, দেশভাগ হতেই পারে না। ঠিক এর ১০ দিন পর, ১৯৪০ সালের ৬ এপ্রিল, গান্ধী, হরিজন পত্রিকায় লিখলো, “দেশের অন্যান্য জনগোষ্ঠীর মতো মুসলমানদেরও আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আছে। বর্তমানে আমরা একটা যৌথ পরিবারের মতোই বসবাস করছি। তাই এর কোনো এক শরিক ভিন্ন হতে চাইতেই পারে।” উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিনিধি জানান, খেয়াল করুন, দাবী উত্থাপনের মাত্র ১০ দিনের মাথায় গান্ধী মুসলমানদের দাবীকে মেনে নিয়ে দেশভাগের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলো।দাবী উত্থাপনের পর থেকেই মুসলমানরা পাকিস্তান আদায়ের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচী চালিয়ে যাচ্ছিলো। এর মধ্যেই ১৯৪২ সালের ১৮ এপ্রিল গান্ধী হরিজন পত্রিকায় আবার লিখলো, “যদি ভারতের বেশির ভাগ মুসলমান এই মত পোষণ করে যে, মুসলমানরা একটা আলাদা জাতি, যাদের সঙ্গে হিন্দু ও অন্যান্য গোষ্ঠীর মিল নেই, তবে পৃথিবীর এমন কোনো শক্তি নেই যে সেই চিন্তা ভাবনা থেকে তাদের বিরত করতে পারে এবং সেই ভিত্তিতে তারা যদি বেশির ভাগ চায়, তবে অবশ্যই দেশভাগ করতে হবে। তবে ইচ্ছা করলে হিন্দুরা তার বিরোধিতা করতে পারে।”উপরের এই কথা ব’লে গান্ধী, মুসলমানদের কিন্তু উসকে দিলো দেশভাগ করার জন্য এবং হিন্দুদের তাতে বিরোধিতা করতে বলে দেশে একটা দাঙ্গা হাঙ্গামা বাধাবারও পথ করে দিলো। গান্ধীর এই দেখানো পথেই জিন্নাহ পাকিস্তান আদায়ের জন্য ১৯৪৬ সালের ১৬আগস্ট, ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে এর ডাক দেয়, এতে কোলকাতায় মুসলমানরা মারে প্রায় ২০ হাজার হিন্দু, ঢাকায় কয়েক হাজার। ধর্ষণসহ অন্যান্য নির্যাতন অগণিত। এরপর ১৯৪৬ সালেরই ১০ অক্টোবর থেকে নোয়াখালিতে মুসলমানরা শুরু করে হিন্দুদের হত্যা, ধর্ষণ, ধর্মান্তর ও অপহরণের এই নারকীয় উৎসব। মারা পড়ে প্রায় ১ হাজার হিন্দু। এরপর আবারও ১৯৪৬ সালের ২৫ অক্টোবর, পরিকল্পনা মাফিক মুসলমানরা শুরু করে বিহারে আক্রমন। এভাবে সারাদেশে হিন্দুদের হত্যা করার প্ল্যান ছিলো মুসলমানদের। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ গ’ড়ে বিহারের বীর হিন্দুরা মুসলমানদের সেই পরিকল্পনাকে ভেস্তে দেয়। মুসলমানদের এই দাঙ্গা হাঙ্গামায় গান্ধী, নেহেরু এবং তাদের দল কংগ্রেস- হিন্দুদের বাঁচাবার কেনো ব্যবস্থা না ক’রে এবং মুসলমানদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে, একরকম ভয় পেয়েই ১৯৪৭ সালের ১২ জুন, কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে দেশ ভাগের প্রস্তাব আনে। ১৩ ও ১৪ জুন এই বৈঠকেই কংগ্রেসের অন্যান্য নেতা, যেমন- পুরুষোত্তম দাস ট্যাণ্ডন, গোবিন্দবল্লভ পন্থ, চৈতরাম গিদোয়ানী, ড. এস কিসলু প্রমুখ দেশ ভাগের বিরোধিতা করে বক্তব্য রাখেন। কিন্তু গান্ধী এদেরকে থামিয়ে দিয়ে দেশভাগের পক্ষে ৪৫ মিনিট ধরে এক জোরালো বক্তব্য রাখে। এতে গান্ধীর বক্তব্যের মূল কথা ছিলো, “দেশভাগ মেনে না নিলে, দেশব্যাপী অরাজকতা দেখা দেবে এবং দেশের নেতৃত্ব কংগ্রেসের হাত ছাড়া হয়ে যাবে।” দেশভাগের ব্যাপারে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেল তখনও দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন, কিন্তু গান্ধীর যুক্তিকে তিনিও খণ্ডন করতে পারলেন না, অবশেষে গান্ধীরই জয় হলো, হিন্দুদের পরাজয় ঘটলো, ভারত ভাগের প্রস্তাব গৃহিত হয়ে গেলো। ২৩% মুসলমানের জন্য, ভারতের মূল ভূখন্ডের ৩০% জমি তাদের দেওয়া হলো। শর্ত ছিলো, সব মুসলমান পাকিস্তানে চলে যাবে আর সব হিন্দু ভারতে চলে আসবে। কিন্তু পাকিস্তান জন্মের একদিন আগে থেকেই পাকিস্তানের ভূখণ্ডে থাকা শিখ ও হিন্দুদের উপর মুসলমানরা বর্বোরচিত হামলা শুরু ক’রে খুন ধর্ষণ অগ্নি সংযোগে মেতে উঠলো; ফলে কয়েক মাসের মধ্যেই কয়েক কোটি হিন্দু ও শিখ সর্বস্ব হারিয়ে ভারতে এসে উপস্থিত হলো, পূর্ববঙ্গেও ঘটানো হলো একই ঘটনা। কিন্তু ভারতের মধ্যে থাকা মুসলমানরা দুচার জন বাদে সবাই ভারতেই থেকে গেলো। একটি ছোট্ট পরিসংখ্যান দিলে ব্যাপারটি পরিষ্কার হবে, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান ভূখণ্ডে হিন্দু ও শিখ মিলিয়ে ছিলো ১৮%, বর্তমানে ২ % এর নিচে; সেই সময় পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দু ছিলো ২৯%, বর্তমানে ৯% এর নিচে। কিন্তু ১৯৪৭ এর ভারতে মুসলমান ছিলো ১০%, বর্তমানে সেটা বেড়ে প্রায় ১৫%। এর মধ্যে রাজ্য ভিত্তিক পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে মুসলমানদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যথাক্রমে ৩৪% ও ৩০%।১৯৪০ এ মুসলমানরা আলাদা দেশ ছেয়েছিলো, ৪৭ এ সেটা পেয়েছে। মুসলমানদের পাকিস্তানে চলে যাবার কথা ছিলো, কিন্তু না গিয়ে ভারতেই থেকে গিয়েছে; উল্টো পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে প্রায় সব হিন্দুকে ভিটে মাটি কেড়ে নিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে। এখন ২০১৫ সালে তারা আবার দাবী তুলেছে মুঘলিস্তানের। এদের এখন কী করা উচিত ?অনেককেই বলতে শুনেছি, কাশ্মিরের স্বাধীনতা দিয়ে দেওয়া উচিত, তাহলে ঐ এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে। যারা এই কথা বলে তারা মুসলমানদের চরিত্রও বোঝে না, আর তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যও বোঝে না এবং এরা জীবনে কোরান হাদিসের এক পাতাও পড়ে নি। যদি পড়তো তাহলে বুঝতো, একের পর এক দেশ দখল করে তা ইসলামের পতাকা তলে আনাই মুসলমানদের মূল উদ্দেশ্য। তাই আজ কাশ্মির দিয়ে দিলে, কাল মুর্শিদাবাদ চাইবে, পরশু চাইবে আসাম এবং চাওয়া ও দাবীর কখনো শেষ হবে না। মুসলমানদের ক্ষুধা হচ্ছে রাক্ষসের ক্ষুধা, কোনো কিছু দিয়েই এদের পেট ভরানো যাবে না।
ইসলাম শুরু হয়েছিলো মক্কায়, তারপর ইসলাম যায় মদীনায়; এরপর ইসলাম সমগ্র আরব দখল করে এবং এভাবে দখল করতে করতে মুসলমানরা দখল করেছে বর্তমানে পৃথিবীর ৫৭টি দেশ। নির্বোধ হিন্দুরা এবং চালাক মুসলমানরা ইংরেজদের সাম্রাজ্যবাদী বলে গালাগাল দেয়, কিন্তু দেশ দখল করা এবং তা ধরে রাখার ভিত্তিতে মুসলমানরাই পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্যবাদী।
মুসলমানদের দাবী অনুযায়ী পাকিস্তান দিয়ে দেবার পরও যখন মুসলমানরা ভারতেই থেকে গেলো, তখন থেকেই দুচার জন দূরদর্শী ব্যক্তি যখন বলতে শুরু করেছিলো যে, ভারতে থাকা মুসলমানরা, ফের, সময় সুযোগ বুঝে তাদের জন্য আবারও আলাদা দেশ দাবী করবে; তখন কেউই তাদের এই কথাকে পাত্তা দেয় নি, উল্টো তাদের কপালে জুটেছে সাম্প্রদায়িক তকমা। ২০১৫ সালে ভারতীয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত ও জরিপে, সেই সব সাম্পদ্রায়িক উপাধি পাওয়া ব্যক্তিদের কথা ও দূরদর্শিতা যে ঠিক ছিলো, তাই প্রমান হয়েছে; পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানরা আলাদা দেশ দাবী করে বসেছে।সম্প্রতি, ইসলামিক জঙ্গী গোষ্ঠী আইএস এর -সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে- উত্থানে সারা বিশ্বের মুসলমানরা বেশ পুলকিত ও উজ্জীবিত। তাই ভারতের মুসলমানরা তাদের বহুদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণে, গা ঝাড়া দিয়ে উঠে, আইএস এর সাথে যোগ দিয়ে, নতুন দেশ “মুঘলিস্তান” বানানোর স্বপ্নে মাঠে নেমে পড়েছে।এ সম্পর্কে ভারতের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে “টাইমস অব ইণ্ডিয়া” ২৩ নভেম্বর, ২০১৫ তারিখে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলো। এতে বলা হয়েছিলো, “তরুণদের দলে ভেড়াতে পশ্চিমবঙ্গকে টার্গেট করেছে আইএস। এ কাজে তারা কেবল অনলাইনেই তৎপরতা চালাচ্ছে না, পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী কিছু জেলায় তাদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একাধিকবার রাজ্য সরকারকে সতর্কতা দিয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী রাজনাথ সিংও একই কথা বলেছিলেন। তবে রাজ্যে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণে এখনও সাইবার সেল তৈরি করে নি সরকার। আগস্টের প্রথম সপ্তাহে ১২টি রাজ্যের ডিজিপিদের বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন পুলিশ প্রধান জিএমপি রেড্ডি উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকে বলা হয়, যেসব স্থানে তরুণরা আইএস ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের তৎপরতা নিবিড়ভাবে অনুসরণ করছে তার মধ্যে হাওড়া একটি।
কোন কোন এলাকা থেকে আইএস, তরুণদের রিক্রুট করার চেষ্টা করছে, তা খুঁজে বের করতে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর সাইবার সেল একটি জরিপ চালায়, এতে পশ্চিমবঙ্গের নাম উঠে আসে। এই জরিপ অনুযায়ী- শ্রীনগর, গোয়াহাটি ও চিনচোয়াদের পর হাওড়া চতুর্থ শহর, যেখানের তরুণ যুবকরা অনলাইনে আইএস এর প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে।এদের বয়স ১৬ থেকে ৩০ এর মধ্যে। সেই সময় সীমান্তবর্তী জেলা নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ থেকে বিপুল সংখ্যক আইএস এর পোস্টার উদ্ধার করা হয়েছিলো। জেলা পুলিশ এ নিয়ে কিছু না বললেও, ( পুলিশ পোস্টারগুলো পাবার পর তড়িগঘড়ি করে পুড়িয়ে ফেলে) কেন্দ্রীয় সংস্থার ঐ রিপোর্টে বলা হয়েছিলো, ১৭টি গ্রাম থেকে ১৪৭টি পোস্টার উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে মুর্শিদাবাদের গ্রাম থেকে ১১টি, বাকি ৬টি নদীয়ায়। ওই সব পোস্টারে ভারতের মুসলমানদের জন্য একটি স্বতন্ত্র মাতৃভূমির দাবী করা হয়েছে, নাম- মুঘলিস্তান।”
১৯৪০ এ যখন মুসলমানরা পাকিস্তানের দাবী করে, তখন তাদের দাবীকে কোনো হিন্দুই পাত্তা দেয় নি। ১৯৪৬ এর ২৮ জুলাই মম্বাইয়ে যখন জিন্না ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে এর ডাক দেয়, তখনও হিন্দুরা মুসলমানদের মূল উদ্দেশ্য বুঝতে পারে নি বা মুসলমানদের হুমকিকে গুরুত্ব দেয় নি। এই নির্বুদ্ধিতা ও হুমকিকে অবহেলার মূল্য বাংলার হিন্দুদেরকে দিতে হয়েছিলো চরমভাবে, প্রায় ২৫ হাজার নিরস্ত্র ও অসহায় হিন্দুর রক্তের বিনিময়ে।
১৯৮০ সালে শিবপ্রসাদ রায় তার “দিব্যজ্ঞান নয়, কাণ্ডজ্ঞান চাই” পুস্তিকায় বলে গেছেন, “ভারত আবার ভাগ হতে পারে।” এই দাবীর সূচনা ২০১৫ তে শুরু হয়ে গেছে। মুসলমানরা যা বলে বা ভাবে, তা তারা ক’রে ছাড়ে, নিজের প্রাণের বিনিময়ে হলেও। কারণ, কোরান-হাদিসের আদেশ অনুসারে “দার-উল-হার্ব” অর্থাৎ যুদ্ধের দেশকে “দার-উল-ইসলাম” বা ইসলামের দেশে পরিণত করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এটা করতে গিয়ে যদি তাদের জীবনও চলে যায়, তাতে তারা আরও খুশি, কেননা তাহলে শহীদ হিসেবে বিনা বিচারে বেহেশতে গিয়ে তারা ৭২ জন হুর ও অসংখ্য গেলমান ( হিজড়া) নিয়ে অনন্তকাল ফুর্তি করতে পারবে। সেজন্য মুসলমানদের জীবনের কোনো মায়া নেই, আর পরোয়াও নেই; তাদের জন্মই হয়েছে ইসলামের প্রসার ও প্রচারের জন্য যুদ্ধ করে মরার জন্য। কারণ, একমাত্র এটা করলেই তাদের অনন্ত সুখের স্থান বেহেশত নিশ্চিত।কিন্তু হিন্দুদের জীবনের বড় মায়া। কারণ, হিন্দুরা মনে করে, বহু সাধনার বিনিময়ে ৮৪ লক্ষ যোনী ভ্রমনের পর দুর্লভ মানব জনম তারা লাভ করেছে। তাই যেন তেন কাজে এই জীবন উৎসর্গ করা যাবে না, বা উৎসর্গ করা ই যাবে না; জীবনটাকে ঠিক মতো ভোগ বা উপভোগ করতে হবে। কিন্তু এর জন্যও তো বেঁচে থাকার দরকার। মুসলমানরা দার-উল-ইসলাম বানানোর জন্য হিন্দুদেরকে অতীতে মেরেছে, ভবিষ্যতেও মারবে, এটা নিশ্চিত। এই মৃত্যু থেকে বাঁচার জন্যও তো এককভাবে বা জোটবদ্ধভাবে আত্মরক্ষা করা শিখতে হবে। মুসলমানদের হাতে মরলে তো আর বহু সাধের জীবনটাকে উপভোগ করা যাবে না। এর জন্যও তো একতাবদ্ধ হওয়া দরকার, শক্তিসঞ্চয় করা দরকার, শত্রুর মনের ভেতর কী কাজ করছে তা জানা দরকার। এই জানতে গেলে হয় কষ্ট করে কোরান হাদিস পড়তে হবে, নয় তো ইসলামের ইতিহাস ঘেঁটে মুসলমানদের মানসিকতাকে বুঝতে হবে। আর কষ্ট স্বীকার করতে না চাইলে হিন্দুত্ববাদী লিডাররা যা বলবে তাকে বিশ্বাস করে কাজ করে যেতে হবে। তাহলেই কেবল, আবারও সম্ভাব্য ডাইরেক্ট এ্যাকশন ডে বা নোয়খালির ঘটনার হাত থেকে হিন্দুরা নিজেদের রক্ষা করতে পারবে বা সম্ভাব্য ভারত বিভাজনের হাত থেকে নিজের দেশকে রক্ষা করতে পারবে।
১৯৪৭ এর আগে, মুসলমানদের জন্য একজন গান্ধী ছিলো, মুসলমানরা মুখ দিয়ে কোনো দাবীর কথা উচ্চারণ করলেই, যেই গান্ধী তা মেনে নিতো আর তা মুসলমানদের পাইয়ে দেবার জন্য অনশন শুরু করে দিতো। বর্তমানেও পশ্চিমবঙ্গে গান্ধীর কিছু অনুসারী আছে; যারা সারাদিন টিভিতে, সংবাদপত্র ও বক্তব্য-বিবৃতিতে, এ রাজ্যে ৩০% মুসলমান থাকার পরও, তারা এটা পাচ্ছে না, ওটা পাচ্ছে না, তাদের এ হচ্ছে না, ও হচ্ছে না বলে দিন-রাত ঘেউ ঘেউ করছে, তাদের মধ্যে কেউ যদি গান্ধীর ভূমিকা গ্রহন করে মুঘলিস্তানের দাবীকে আবার সমর্থন করে বসে, তাহলে এই বাংলায় শত শত নাথুরাম তৈরি হবে। কিন্তু নাথুরাম, গান্ধীকে হত্যা করতে, দেরী করে যে ভুল করেছিলো, সেই ভুল এবার আর কেউ করবে না, এটা সুনিশ্চিত।
হে ঈশ্বর, তুমি  হিন্দুদের আত্মরক্ষা ও দেশরক্ষা করার সুমতি ও শক্তি দাও এবং এই বোধ দাও, যেন তারা দেশপ্রেমিক বিজেপির কোনো কাজের বিরোধিতা বা সমালোচনা না করে।এই প্রার্থনা আজ তোমার কাছে, যেন সবাই মিলে বলতে পারি।উজ্জ্বল রায় নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
Attachments area
(Visited 1 times, 1 visits today)

সম্পাদক ও প্রকাশক

কাজী জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

ই-মেইল: jahangirbhaluka@gmail.com
নিউজ: bsomoy71@gmail.com

মোবাইল: ০১৭১৬৯০৭৯৮৪

%d bloggers like this: