স্টাফ রিপোর্টার -ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার উথুরা রেঞ্জের আওতাধীন আংগারগাড়া বিট কর্মকর্তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ অসহায় মানুষ।আর.ও.আর ভূক্ত অথবা পৈত্রিক সম্পত্তিতে ঘর নির্মাণ করতে গেলেও বনের দাবী করে নির্মাণ কাজে বাঁধা দিয়ে, নানা অজুহাতে মোটা অংকের টাকা দাবী করেন,না হয় মামলার হুমকি দিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষদের বিভিন্ন ভাবে হয়রাণী করছে এক অসাধু বিট কর্মকর্তা।এ ব্যাপারে ক্ষুব্ধ ভূক্তভোগীরা জানান,আংগারগাড়া মৌজায় যতটুকু জমিতে বনের দাবী রয়েছে, তার প্রায় সবটুকুতেই বন বিভাগের গাছ লাগোনো হয়েছে।অথচ বিট অফিস পুরো এলাকায় তারা বনের দাবী করে বাড়ী ঘর নির্মান কাজে বাঁধা দেয়া সহ সাধারণ মানুষের উপর নানা ভাবে অত্যাচার করে যাচ্ছে এর থেকে দ্রুত পরিত্রান চায় ভূক্তভোগী এলাকাবাসী।এ ব্যাপারে ওই এলাকার বনায়ন কমিটির সভাপতি আতাউর রহমান কামাল জানান, এই মৌজায় জমি হচ্ছে ৮৮ একর এর মধ্যে বনের জমি হলো ২৮ একর ইতিমধ্যে ২২.৫ একর জমিতে বনের গাছ লাগানো হয়েছে, আর মাত্র ৫একর ৯২শতক জমি বাকি রয়েছে, আর ৬০একর জমিই হচ্ছে প্রজাদের এখানে ৬০একর জমিতেই বন বিভাগ দাবী করে সাধারণ মানুষদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করে যাচ্ছে । তিনি আরও বলেন, এই ডাকাতিয়া ইউনিয়নে একটা মরণ ফাঁদ হয়ে দাড়িয়েছে বন বিভাগের অত্যাচারে আমরা বার বার বন বিভাগকে এবং মন্ত্রনালয়কে জানিয়েছি বনের সাথে যে বিরোধ বিভিন্ন দাগে যে সমস্যা গুলো আছে এর দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন ।বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব গাজী আব্দুল মান্নান জানান, আমাদের এই আংগারগাড়া এলাকায় বাড়ি ঘর করেতে গেলেই বনের লোকজন বাড়ি ঘর করা নিষেদ করে, আমাদের বাপ দাদারা নাম খারিচ করছে সেই সব জমির আমরা খাজনা দিতেছি, আর.ও.আর রেকডের্র জমিতে ঘর করলেও বন কর্মকর্তারা বাঁধা দেয় আর বলে টাকা দিলেই ঘর করা যাবে আমরা কার কাছে যাব এর থেকে আমরা মুক্তি চাই ।ভুক্তভুগি ধনু মিয়া জানান, বাপ,দাদারা প্রায় ৬০বছর ধরে এখানে বসবাস করছে, আমরা খাজনাও দিয়ে গেছি এখন আমি থাকার জন্য ঘর করতে শুরু করেছি সেই মূহুর্তে বিট কর্মকর্তা মজহারুল আমার কাছ থেকে ৭০হাজার টাকা দাবি করে আমি দিতে না চাইলে আমার কাজ বন্ধ করে দেয় এবং মামলা দেয়ার হুমকি দেয়, আমার পৈত্রিক জমিতে ঘর করতে গেলে যদি টাকা দিতে হয় তা হলে আমরা কোথায় যাব ।তিনি আরও বলেন, এই ডাকাতিয়া ইউনিয়নে একটা মরণ ফাঁদ হয়ে দাড়িয়েছে বন বিভাগের অত্যাচারে আমরা বার বন বিভাগকে মন্ত্রনালয়কে জানিয়েছি বনের সাথে যে বিরোধ বিভিন্ন দাগে যে সমস্যা গুলো আছে এর দ্রুত সমাধান করা প্রয়োজন ।এ বিষয়ে অভিযোগক্ত বিট কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে আমি উর্ধ্বতন কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কিছুই বলতে পারবনা, তবে আমার উপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সত্য হয় ।
(Visited 1 times, 1 visits today)

সম্পাদক ও প্রকাশক

কাজী জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

ই-মেইল: jahangirbhaluka@gmail.com
নিউজ: bsomoy71@gmail.com

মোবাইল: ০১৭১৬৯০৭৯৮৪

%d bloggers like this: