মোঃ জাহিদ,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ-কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার জুম্মাপাড়া এলাকার শফিকুল ইসলামের কন্যা সুরভী (৮)। জন্মের কিছুদিন পর হঠতেই দেহে বাসা বাধে বিভিন্ন রোগ। স্থানীয় চিকিৎসকরাও তার রোগ নির্ণয় করতে পারেনি। অর্থের অভাবে চিকিৎসা থেকে পিছিয়ে আসেন তার পরিবার। এর মধ্যে সুরভীর মানসিক অবস্থায় পরিবর্তন শুরু হয়। তাই অভাবী সংসার দেখাশুনার অভাবে বিভিন্ন সময় তাকে বেঁধে রাখতো পরিবারের লোকজন।বিষয়টি জানতে পেরে কিছুদিন আগে যৌথ উদ্যোগে তাকে শিকল মুক্ত করেন উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ  এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা তাকে সাহায্য করা ছাড়াও প্রতিশ্রুতি দেন তার পরিবারকে ঘর ও সোলারসহ সুরভীকে প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেয়ার। সেই প্রতিশ্রুতি মোতাবেক তার পরিবারকে একটি ঘর, ল্যাটিনসহ সোলার প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামসুজ্জোহা গতকাল রবিবার বিকালে সুরভীর বাড়ি পরিদর্শ করেন এবং ঘর, সোলার হস্তান্তর করেন।এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ কহিনুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আবু সাঈদ হোসেন আনছারী, চিলমারী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা।উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ মোঃ শামছুজ্জোহা বলেন, আমরা সরকারী ভাবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতি মধ্যে সুরভী ও তার পরিবারকে মেঝে পাকা ঘর, ল্যাট্রিন, সোলার দিয়েছি এছাড়াও সুরভীর প্রতিবন্ধী কার্ডের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে।এছাড়াও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান ইতি মধ্যে সুরভীকে ডাক্তার দেখাসহ ঔষধ সামগ্রী প্রদান এবং চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন।পরিবার সুত্রে জানা গেছে,শিশুটি সিজোফ্রেনিয়া নামক সাইকোসিস রোগে আক্রান্ত তাই শিশুটি দিকবিদিক ছোটাছুটি করে এবং পানিতে লাফ দেয় সে জন্য তার পরিবার তাকে বেধে রাখে। ঘর ও সোলার পেয়ে সুরভীর পরিবারের মাঝে ফুটে উঠেছে হাসির ঝিলিক। এসময় প্রশাসনের সহযোগীতা পেয়ে তার পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী উপজেলা প্রশাসন ও কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান কে ধন্যবাদ জানান।

(Visited 1 times, 1 visits today)

সম্পাদক ও প্রকাশক

কাজী জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

ই-মেইল: jahangirbhaluka@gmail.com
নিউজ: bsomoy71@gmail.com

মোবাইল: ০১৭১৬৯০৭৯৮৪

%d bloggers like this: