মোঃ আক্কাছ আলী,ভালুকা(ময়মনসিংহ)প্রতিনিধি ঃ- আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভালুকায় নৌকার মনোনীত প্রার্থী হতে বিভিন্ন ইউনিয়নে গণংযোগ করে ব্যস্ত সময় পার করছেন বর্তমান ভাইসচেয়ারম্যন রফিকুল ইসলাম পিন্টু।আজ ১০জানুয়ারী বিরুনীয়া ইউনিয়নের বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে উপজেলা নির্বাচনে নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে গণসংযোগ করেন।এসময় তার সাথে আ’লীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
ভালুকা উপজেলা রাজধানী ঢাকা থেকে ময়মনসিংহে প্রবেশপথের সর্বপ্রথম উপজেলা ভালুকা। জেলার শিল্প এলাকা হিসাবে খ্যাত এই উপজেলা। শিক্ষা ও অর্থনেতিক দিক থেকে ভালুকা উপজেলা ময়মনসিংহের উল্লেখ্য যোগ্য এলাকা। ঢাকা থেকে ময়মনসিংহে ভালুকা উপজেলার কদর সকলের চোখে পরার মত। তবে স্থানীয় জনতার চেয়ে কিছু কিছু নেতাদের খুব কদর বেড়েছে নেতাদের কাছে। সাধারন জনতার সাথে নেতাদের যোগাযোগ আর কদর না থাকলেও একাদশ জাতীয় নির্বাচনের পর আসন্ন উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে হঠাৎ তৃর্নমুল কর্মীদের প্রতি মায়াকান্নায় ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন হঠাৎ নেতারা। ভোটারদের সমর্থন এসব নেতাদের প্রতি না থাকলে ও মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয় করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন বাসন্তী এই নেতারা। টাকার ভালবাসা আর অন্তরের ভালবাসা অনেকটাই ভিন্ন। টাকার কেনা ভালবাসা ও জনপ্রিয়তা নিয়ে ওরা মাঠ চষে বেড়ালেও এদের এত ভিড়ের মধ্যে আগের মতই ভোটারদের অন্তরের ভালবাসা ও জনপ্রিয়তা নিয়েই মাঠ দাপিয়ে নৌকার পক্ষে গনসংযোগ ও দেশরতœ শেখ হাসিনার উন্নয়নের বার্তা নিয়ে জনতার দুয়ারে-দুয়ারে ঘুরছেন এক সময়কার সাড়া জাগানো সাবেক ছাত্রনেতা, উপজেলা পরিষদের বিপুল ভোটে নির্বাচিত বর্তমান ভাইস-চেয়ারম্যান আাগামী উপজেলা নির্বাচনে ভালুকা থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রফিকুল ইসলাম পিন্টু।
যিনি ছাত্রজীবন থেকেই সাধারন মানুষের বিপদে-আপদে নিজেকে ব্যস্ত রেখে বিভিন্ন সহযোগীতার মাধ্যমে ভালুকাবাসীর মাঝে জনপ্রিয়তার স্থান দখল করে আছেন। উপজেলার সর্বস্তরের জনগন যাকে প্রিয়জন হিসাবে তাদের অন্তরে ঠাই দিয়ে রেখেছেন। তার মনোনয়ন প্রত্যশার সংবাদে উপজেলাজুড়ে জনতার মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনার দেখা দিয়েছে। সাধারন মানুষ চায় আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী বদল ফর্মলাকে কাজে লাগাতে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ভালুকায় পিন্টুর পক্ষে নৌকার মনোনয়ন দাবিতে তোড়জোড় শুরু করেছে। আগামীতে ভালুকাবাসী তাকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করে ভালুকার উন্নয়ন ও নাগরিক চাহিদা পুরণ করতে তাকে দলীয় মনোনয়ন দিতে দেশরতœ শেখ হাসিনার প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছেন। এ উদারমনা ও জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ রফিকুল ইসলাম পিন্টু ভালুকা উপজেলা সদর ইউনিয়নের ভালুকা গ্রামের এক সম্্রান্ত ও আওয়ামী পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি তিন ভাই ও সাত বোনের মাঝে সবার ছোট। বাবা মা দুজনই ছোট কালেই মারা যান।তার বাবার নাম জবেদ আলী ফকির ও মাতার নাম কমলা খাতুন। রফিকুল ইসলাম পিন্টু শৈশব থেকেই মানুষের বিভিন্ন উপকার ও সেবার মাধ্যমে জনগনের ভালবাসার পাত্র হিসাবে তিল-তিল করে গড়ে উঠেন। ভালুকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেনীতে অধ্যয়ন রত অবস্থায় ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পরেন। ১৯৯০ সনে নবম শ্রেনীতে অধ্যয়ন অবস্থায় একই স্কুলের ইংরেজী শিক্ষক মনোরঞ্জন সরকারের সার্বিক সহযোগিতায় ছাত্রলীগের স্কুল শাখার সভাপতি নির্বাচিত হন।
১৯৯১ সনে ভালুকা থানা ছাত্রলীগের যুগ্মসম্পাদক নিবার্চিত হন। ১৯৯৪ সনে থানা ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হন। ছাত্রলীগের দায়িত্ব নিয়ে তিনি বিভিন্ন ইউনিয়ন,গ্রামে খোজ খবর নিয়ে কোন বাড়ীতে কে এস এস সি পাশ করেছে তাকে ভালুকা ডিগ্রী কলেজে ভর্তি করে ছাত্রলীগের কর্মী হিসাবে তৈরী করে ভালুকা থানাকে ছাত্রলীগের ঘাটি হিসাবে তৈরী করেছেন। বিশাল কর্মী বাহিনী তৈরী করে ধীরে ধীরে সকলের কাছে গ্রহনযোগ্য ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেন রফিকুল ইসলাম পিন্টু।পরর্বতী সময়ে আবারও থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৮ ছাত্রলীগ থেকে বিদায় নেওয়ার পর ১৫ বছর পদ পদবীর বাহিরে থেকে রাজনৈতিক সকল প্রকার কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছে।

ছাত্রীগের সাধারন সম্পাদক থাকা অবস্থায় ১৯৯৫ সালে বিএন পি-জামায়াত জোট সরকারে শাসনামলে তাকে ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলা দিয়ে মাসের পর মাস ৮/১০টি হত্যা মামলা দিয়ে জেলে বন্দী করে রাখেন। আবার ২০০১ সালে বি এন পি-জামাত জোট ক্ষমতায় এসে তার উপর অত্যাচার নির্যাতন শুরু করে। গন গ্রেফতারের নামে রফিকুল ইসলাম পিন্টুকে গ্রেফতার করে তাকে আবারো আগের মত করে হত্যা মামলা দিয়ে মাসের পর মাস জেলে বন্দী করে রাখেন, পুলিশ, সেনা বাহিনী দিয়ে বাড়ী ঘর তছনস করেফেলে এ ভাবেই তিনি দীর্ঘদিন ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে রাজনৈতিক জীবন যাপন করলে ও মুজিব আদর্শ ও জননেত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ,আদেশ-নিষেধের অমান্য করেননি ও সংগঠনিক কর্মকান্ড থেক পিছ পা হন নি। ২০১৪ সালে তিনি আওয়ামী যুবলীগ ভালুকা উপজেলা শাখার আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির নির্দেশে দায়িত্ব পাওয়ার সারে সাত মাসের মাথায় সকল ইউনিট কমিটি করে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে সম্মেলন করেন। যা গত ১৪ বছর যুবলীগের নির্বাচিত কমিটি সম্মেলন করতে পারেনি। সম্মেলনের পরে কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে তার সাংগঠনিক সফলতায় ময়মনসিংহ জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব দেন। রফিকুল ইসলাম পিন্টু গত উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে তৃনমুল নেতাকর্মীদের ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পেয়ে সকল প্রার্থীর চেয়ে বিপুল সংখ্যাক বেশী ভোট পেয়ে জয়লাভ করে সবার নজর কাড়েন, যা জনপ্রিয়তার বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচিত হওয়ার পর জনগনের সাথে দেয়া কথা রেখে ভালুকার উন্নয়ন ও জনসেবায় দিন রাত বিনিময় ছাড়া কাজ করে ভালুকাবাসীর মাঝে আরো ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। তিনি আগামী উপজেলা নির্বাচনে দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ সরকারের বিজয় ধরে রেখে উন্নয়ন কে আরো বেগবান করতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জে মাঠে ময়দানে বক্তব্য রেখে যাচ্ছেন সরকারের উন্নয়ন নিজের সততা সবার কাছে তুলে ধরে সাংগঠনিক কাজ করে চলেছেন। পিতা-মাতা হারা পিন্টু ছোটকাল থেকেই এত কষ্ট নির্যাতন-ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে ও তিনি মাষ্টার ডিগ্রী ও এল এল বি পাশকরে শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি জনপ্রিয়তায়ও এগিয়ে রয়েছেন। তিনি মনে করেন জনপ্রিয়তা রাজনীতির মুল শক্তি। যদিও দুটা এক সাথে হয় না। টাকা অবৈধ ভাবে রোজগার করলে জনপ্রিয়তা থাকবে না, আবার জনপ্রিয়তার চিন্তা করলে টাকা থাকবে না। এভাবে চলছে রফিকুল ইসলাম পিন্টুর রাজনৈতিক জীবন।ব্যক্তি জীবনে তিনি বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক।স্ত্রী সরকারী কলেজের শিক্ষক হিসাবে কর্মরত।আওয়ামীলীগের তৃর্নমুল কর্মীদের মতে -পিন্টুর সবচেয়ে বিশাল একটি গুন তিনি সহজেই সাধারন মানুষকে আপন করে কাছে টেনে নিতে পারেন।প্রতিশ্রুতিশীল এই নেতাকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন উপজেলার সর্বস্তরের জনতা। নানা মুখী পদক্ষেপে বাস্তবাদী চিন্তা ও জনকল্যাণমুলক ভাবনা নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করেন তিনি। তাকে ঘিরে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাধারন জনতারও আগ্রহের কমতি নেই। ভালুকা বঙ্গবন্ধুুর আদর্শ বাস্তবায়ন ও জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করাই পিন্টুর মূল টার্গেট।রফিকুল ইসলাম পিন্টু দীর্ঘ দিন থেকে নিজেকে মানূষের সেবায় নিয়োজিত রেখেছেন। শিক্ষা বিস্থারে তার অবদান অস্বীকার করার নয়। দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।ভালুকা উপজেলা পরিষদের ভাইসচেয়ারম্যন ও যুবলীগ নেতা হিসেবে উপজেলার প্রতিটি গ্রাম,ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে প্রসারিত করতে কঠোর পরিশ্রম করেছেন এ নেতা। ফলে উপজেলার প্রতিটি গ্রাম,ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ে রয়েছেন তার নিজস্ব কিছু মানুষ। বিশেষ করে বিগত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে উপজেলার প্রতিনিটি সভা,সমাবেশ ও জনসমাবেশে তার উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যনীয়। দীর্ঘ দিনের সামাজিক কার্যক্রম, দলীয় কার্যক্রম ও ব্যক্তিগত ইমেজকে কাজে লাগিয়ে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিয়ে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে এ উপজেলাটি প্রাধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চান তিনি।

(Visited 1 times, 1 visits today)

সম্পাদক ও প্রকাশক

কাজী জাহাঙ্গীর আলম সরকার।

ই-মেইল: jahangirbhaluka@gmail.com
নিউজ: bsomoy71@gmail.com

মোবাইল: ০১৭১৬৯০৭৯৮৪

%d bloggers like this: